বিয়ে করবেন ভাবছেন যেনেনিন কিছু গোপন টিপস

বিয়ে করবেন ভাবছেন যেনেনিন কিছু গোপন টিপস

বিয়ে করবেন ভাবছেন যেনেনিন কিছু গোপন টিপস ” যারা অল্প বয়সে বিয়ে করার চিন্তা ভাবনা করছো এবং নিজের প্রেমিকাকে বিয়ে করে ফেলবেন ভাবছেন তাদের কাছে একটি প্রশ্ন আপনি কি নিজেকে ম্যাচিওর মনে করেন।

ধরুন আপনার বয়স ২০ আর আপনি বিয়ে করার কথা ভাবছেন। একবার ভাবুন তো আপনার বন্ধু মহল, আড্ডা, ফেসবুক আর গেম খেলা ছাড়া নিজের জন্য কিছু করার কথা কি এখনো ভেবেছেন।

যদি না ভেবে থাকেন তবে আপনাকে এখনো আমি দায়িত্ববান পুরুষ বলতে পারছিনা। প্রথমে চেষ্টা করুন একটা জব ম্যানেজ করার অথবা সামান্য হলেও ইনকামের একটা সোর্স খুঁজে বের করার।

হতে পারে আপনি সবেমাত্র কলেজে উঠেছেন কিন্তু তাতে কিছুই আসে যায়না চেষ্টা করুন একটা পার্ট টাইম জব খুঁজে বের করার। এটা আপনাকে একজন দায়িত্ববান পুরুষ বানাতে সাহায্য করবে।

বিয়ে মানে নতুন দায়িত্ব। শৈশব স্কুলজীবন কলেজ জীবনে আমরা বাবা-মায়ের ছত্রছায়ায় থাকতে অভ্যস্ত থাকি অনেকেই এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন না বলে অথবা চান না বলে বিবাহিত জীবনের সমস্যা শুরু হয়।

তাই বিয়ের আগে দুজনেই ভেবে দেখুন এবং আলোচনা করুন যে আপনারা নিজেদের এবং একে অপরের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত কি না।

আপনি একটা সুন্দরী মেয়েকে ভালোবাসো তার মানে এই না যে আপনি বিয়ে করার জন্য প্রস্তুত। আগে আপনাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

কেননা বিয়ের সঙ্গে যে দায়িত্ব গুলো জুড়ে রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল আর্থিক দায়িত্ব বিয়ের আগে নিজের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা এবং পরিকল্পনামাফিক গুছিয়ে নেয়া দরকার তারপর সিদ্ধান্ত নিন।

[ আরো পড়ুন: ধূমপান ছেড়ে দিলে কি পরিবর্তন ঘটবে আপনার শরীরে ]

আর বাবা-মায়ের উদ্দেশ্যে বলছি আপনারা যদি মনে করেন আমার ছেলের চাকরি করার দরকার হবেনা।

আপনাদের যা আছে তাই দিয়ে হেসেখেলে দিন পার করতে পারবে। তাহলে তাদেরকে বলছি এই ভুলটা করবেন না। জীবনের সন্তানকে কিছু শিখতে দিন এটা তাদের শিক্ষার একটি অংশ।

যে খুব নগন্য কোনো কাজ করছে তাতে কিছুই আসে যায় না। যা সামনে পাবেন তাই করবেন এটা আপনাকে টাকার প্রতি সম্মান অর্জন করতে শেখাবে এটা আপনাকে দায়িত্ববান হতে শেখাবে এটি আপনার জীবনকে বদলে দেবে।

এবার আসুন যারা অলরেডি রেস্পন্সিবল ফর লাইফ ভালো জব করছেন বিয়ের বয়স হয়ে গেছে তাদের ব্যাপারে আপনি কি জানেন কিভাবে সংসারকে যুগ যুগ ধরে টিকিয়ে রাখতে হয়।

আপনার আশেপাশে হয়তো দেখবেন হাজারো বিবাহ বিচ্ছেদের কাহিনী এগুলো আপনার সাথে যে হবে না তার কি কোন নিশ্চয়তা দিতে পারবেন।

বিয়ে করবেন ভাবছেন যেনেনিন কিছু গোপন টিপস

বিয়ে বিষয়ে এক্সপার্ট জোহান gatman সদ্যবিবাহিত কাপলদের পাশে ১৫ মিনিট বসে থাকে বলে দিতে পারতেন তাদের পরবর্তী জীবন কেমন হতে চলেছে । তারা কি সুখী জীবন যাপন করবে নাকি কিছুদিন পর ডিভোর্স হয়ে যাবে।

তার ভবিষ্যৎ বাণী ৯৪% সফল হতো। তিনি কীভাবে এটি অনুমান করতেন। তিনি বলতেন একটি হ্যাপি রিলেশনশিপ কোন কেন্ডেল ডিনারে, চাঁদনী রাতে বা সমুদ্রের তীরে পাওয়া যায় না অথবা প্রত্যেক সপ্তাহে প্রিয়জনকে দামি গিফট এর মাধ্যমে আদায় করা যায় না।

gatman বলছেন যে একটি সুখী বিবাহিত জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মনোযোগ। ছোট ছোট মুহূর্তে তার প্রতি আপনার মনোযোগ বিষয়টি বুঝার জন্য একটু আগের দিনে অর্থাৎ আপনার বাবা-মা বা দাদা-দাদির সম্পর্কের দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন।

আপনার দাদি তার হাজবেন্ডের জন্য না খেয়ে বসে থাকে। কিন্তু এখনকার দিনের সাথে তুলনা করলে কতটা পার্থক্য তাই না।

আমরা হারানোর আগে কখনোই উপলব্ধি করি না যে আমরা কি হারিয়েছে। আপনার সামর্থ্য থাকলে হয়তো আপনি তাকে পৃথিবীর সবথেকে সুন্দর জায়গায় হেলিকপ্টারে করে ঘুরতে নিয়ে যেতে পারেন।

কিন্তু gatman সবলছেন দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসা দাঁড়িয়ে থাকে ছোট ছোট বিষয়ের উপর। এটা হতে পারে আপনি আপনার প্রিয় তোমাকে বলছেন তোমার সকাল বেলার এলোমেলো চুল আমাকে পাগল করে দেয়।

এটা হতে পারে একটু পরপরই আপনি তাকে মিস করছেন সেটা ছোট্ট একটি এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া।

এটা হতে পারে আপনার ব্যস্ততার মাঝে তার গল্পে তাকে বলা শত ব্যস্ততার মাঝেও তোমার ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম।

এটা হতে পারে তার হাতটি ধরা। যখন মনে হবে সে ভয় পাচ্ছে এবং বলা আমি আছি সব ঠিক হয়ে যাবে।

এটা হতে পারে খবরের কাগজ বা মোবাইলটা রেখে তার কথায় মনোযোগ দেয়া।

এটা হতে পারে তাকে নতুন নতুন নামে ডাকা।

আরো পড়ুন: ৮ টি জীবন বাচানো টিপস আপনার অবশ্যই জেনে রাখা উচিৎ ]

এটা হতে পারে তার চেহারার ছোট পরিবর্তনগুলো খেয়াল করা।

এটা হতে পারে কোথাও যাওয়ার আগে তার কপালে চুমু খাওয়া।

এটা হতে পারে খাওয়ার টেবিলে তার চোখে চোখ রাখা।

এটা হতে পারে তাকে পেছন থেকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরা।

এটা হতে পারে সব সময় আমি ঠিক। এর বদলে তাকে একটু বোঝার চেষ্টা করা।

তবে এর মানে এই নয় যে শপিংয়ে নিয়ে দামী কাপড় কিনে দেয়া।

হতে পারে দুজন একসাথে পাগলামি করা।

এটা এমন নয় যে সব সময় থাকলে সব কাজ করতে বলা।

এটা হতে পারে নিজের জন্য এক গ্লাস পানি নিয়ে সময় তার টেবিলে এক গ্লাস পানি রেখে আসা।

আপনার কাছে কি এগুলো খুব বেশি কিছু মনে হচ্ছে আপনি কি জানেন ৩ বিলিয়ন মানুষ আজ রাতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যাবে।

তবে তার থেকেও ১ বিলিয়ন বেশি মানুষ ভালোবাসার মূল্যায়ন এর অভাব নিয়ে বিছানায় যাবে।

সুতরাং বিয়ের আগে একটু ভাবুন আপনি প্রস্তুত তো। আপনার ভেতর সেই রেস্পন্সিবিলিটি আছে তো। পারবেন তো এই সম্পর্কে যুগ যুগ ধরে টিকিয়ে রাখতে।

প্রতিবেদনটি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে একটি লাইক দিয়ে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না এবং এই প্রতিবেদনটি প্রিয় জনদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না ধন্যবাদ।